গেমিং মানে বিনোদন, বোঝা না। taka33 চায় আপনি সবসময় আনন্দের সাথে খেলুন এবং নিজের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখুন। এই পাতায় দায়িত্বশীল খেলার সব সরঞ্জাম ও তথ্য পাবেন।
taka33 আপনাকে গেমিং নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করার জন্য এই সরঞ্জামগুলো তৈরি করেছে।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সীমা নির্ধারণ করুন। নির্ধারিত সীমা পেরোলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিপোজিট আটকে দেবে।
প্রতিদিন কতক্ষণ খেলবেন তা ঠিক করুন। নির্দিষ্ট সময় শেষ হলে সেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিরতিতে যাবে এবং নোটিফিকেশন পাবেন।
২৪ ঘণ্টা থেকে ৭ দিনের জন্য সাময়িক বিরতি নিন। এই সময়ে লগইন করা যাবে না – একটু থামার সুযোগ পাবেন।
১ মাস থেকে স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার সুযোগ। এই সময় পুনরায় চালু করা যাবে না – সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত।
আপনার সকল বাজি, জয়, হার ও লেনদেনের বিস্তারিত ইতিহাস দেখুন। নিজের প্যাটার্ন বুঝতে এটা খুবই কাজের।
যেকোনো সমস্যায় আমাদের সাপোর্ট টিম সবসময় পাশে আছে। গেমিং নিয়ে উদ্বেগ থাকলে নির্দ্বিধায় কথা বলুন।
দায়িত্বশীল খেলা মানে নিজের বাজেট, সময় ও মানসিক অবস্থার উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রেখে গেমিং উপভোগ করা। taka33-এ খেলা শুধু আনন্দের জন্য – জীবনের মূল ব্যয় বা সাংসারিক দায়িত্ব থেকে কখনো গেমিংয়ে টাকা লাগানো উচিত নয়।
বাংলাদেশের অনেক মানুষই গেমিংকে বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করেছেন, কিন্তু কখনো কখনো এটি অভ্যাসের বাইরে চলে যেতে পারে। taka33 চায় না এমনটা হোক। তাই আমরা শুরু থেকেই সব সদস্যকে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের সরঞ্জাম ও তথ্য দিই।
গেমিং আসক্তি কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়। এটি একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যা যেকোনো মানুষের হতে পারে। সময়মতো চেনা ও সাহায্য নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। taka33 সেই পথে আপনার পাশে আছে।
taka33-এর সব দায়িত্বশীল গেমিং সরঞ্জাম অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে পাওয়া যায়। একটু সময় নিয়ে নিজের সীমা ঠিক করুন – পরে খেলতে অনেক বেশি মজা লাগবে।
প্রথমে taka33-এ লগইন করুন এবং ওপরের ডানদিকের প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
প্রোফাইল মেনুতে "Responsible Gaming" বা "দায়িত্বশীল গেমিং" অপশন খুঁজুন।
ডিপোজিট লিমিট, সময় সীমা বা কুলডাউন পিরিয়ড সেট করুন। পরিবর্তন অবিলম্বে কার্যকর হয়।
দীর্ঘমেয়াদী বিরতির প্রয়োজন হলে সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর করা হবে।
নিচের কোনো লক্ষণ আপনার মধ্যে দেখলে এখনই সাহায্য নিন।
হারানো টাকা ফিরে পেতে আরো বেশি বাজি রাখছেন।
পরিবার বা বন্ধুদের কাছে গেমিং লুকিয়ে রাখছেন।
গেমিং বন্ধ করার চেষ্টা করছেন কিন্তু পারছেন না।
সংসারের খরচের টাকা দিয়ে গেম খেলছেন।
গেম না খেললে অস্থির বা বিরক্ত লাগছে।
গেমিংয়ের জন্য আলাদা বাজেট রাখুন এবং তার বেশি কখনো ব্যয় করবেন না।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের বেশি না খেলার সিদ্ধান্ত আগেই নিন।
হার মানলে রাগ বা আক্ষেপ থেকে আরো খেলার চেষ্টা করবেন না।
নিয়মিত ব্রেক নিন। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটান।
গেমিংকে আয়ের উৎস ভাববেন না। এটি বিনোদন মাত্র।
নিচের প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। যদি বেশিরভাগের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবুন।
গত মাসে কি বাজেটের বেশি গেমিংয়ে খরচ হয়েছে?
কাজ বা পড়াশোনা বাদ দিয়ে গেম খেলেছেন?
হার মানলে খুব রাগ বা মন খারাপ হয়?
পরিবারকে না জানিয়ে গেমিংয়ে টাকা খরচ করেছেন?
গেম বন্ধ করতে গিয়ে বারবার আরেকটু খেলে ফেলেছেন?
গেমিং না করলে অস্থির বা একঘেয়ে লাগে?
হারানো টাকা ফেরত আনতে আরো বেশি বাজি দিয়েছেন?
গেমিংয়ের জন্য ধার নিয়েছেন বা কারো কাছে টাকা চেয়েছেন?
taka33 কঠোরভাবে ১৮ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে। অনলাইন গেমিং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপযুক্ত নয়।
পরিবারের বড়দের উচিত নিজেদের ডিভাইস ও অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখা। শিশু বা কিশোর যেন কখনো অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে সচেতন থাকুন।
গেমিং সমস্যায় কখনো একা থাকবেন না। সাহায্য চাওয়া সাহসের কাজ।
২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের ৭ দিন। গেমিং উদ্বেগ নিয়ে সরাসরি কথা বলুন।
[email protected] – ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর পাবেন।
গেমিং আসক্তির জন্য মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর। আশেপাশের মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
taka33-এ দায়িত্বশীল গেমিং কোনো বাধা নয়, এটি আরো বেশি উপভোগ করার পথ। আজই অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং নিজের সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন।
১৮+ শুধুমাত্র। গেমিং আসক্তি হলে সাহায্য নিন।